ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসির সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইউসিবির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ১১ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ইউসিবির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৪২ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইউসিবির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৮১ পয়সায়। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল।
আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৫৭ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ইউসিবির পর্ষদ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরেও ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল ইউসিবি।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে আসা ইউসিবির অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৫৫০ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৪৬১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫৫ কোটি ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৮৯৮। এর মধ্যে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, দশমিক ৮১ শতাংশ সরকার, ৩৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, দশমিক ৬৩ শতাংশ বিদেশী ও বাকি ৫২ দশমিক ৩২ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।